নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ক্লাস্টারে ‘ডিজিটাল ম্যাপিং’ ও ‘অ্যাকসেস টু টেকনোলজি’ দাবি
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বদলে যাচ্ছে ‘স্মার্ট ক্লাস্টার’ এর সঙ্গা। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যমান ‘ক্লাস্টার ম্যাপিং’ বিষয়ে নতুন করে চিন্তা করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট হোসনা ফেরদৌস সুমি। একই সুরে ‘নারী’ বন্ধনী থেকে মুক্ত করে মহিলা উদ্যোক্তাদের জন্য ‘অ্যাকসেস টু টেকনোলজি’ অন্তর্ভূক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন ই-ক্যাব এফ কমার্স স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান নাজনীন নাহার। দেশের বাইরের উদ্যোক্তা মেলায় পণ্য প্রদর্শনী ও ফরেন কমিউনিকেশনের জন্য অরিয়েন্টেশন করানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিডা’র ফোকাল পয়েন্ট ফারহা মাহমুদ তৃণা।
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চলমান এসএমই মেলা উপলক্ষে উইন্ডি টাউন হলে অনুষ্ঠিত সেমিনারে এসব পরামর্শ দেন বক্তারা। এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. মো. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে ‘শিল্প সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও নারীর ক্ষমতায়নঃ প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবু ইউসুফ।
এতে তিনি নারীদের ডিজিটাল স্বাক্ষরতা ও দক্ষতা উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, নারীদের অর্থায়ন করলে ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই ব্যাংকগুলো তা ফেরত পায়। তাই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়ন আরো সহজ করা দরকার।
মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন কে ক্র্যাফ্টের ম্যানেজিং পার্টনার খালিদ মাহমুদ খান ও বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট হোসনা ফেরদৌস সুমি।
বক্তব্যে সুমি বলেন, শুধু কারিগরি প্রশিক্ষণ নয়; ডিজিটাল মার্কেটিং, ফাইন্যান্সিং এর মতো বিষয় অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। ডিজিটাল ক্লাস্টারিং করে অঞ্চল ভিত্তিক ক্লাস্টার হতে বেরিয়ে অ্যাপলিকেশন ও ডিজিটাল মার্কেট প্লেস বাড়ানো দরকার।
ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সালাহ উদ্দিন মাহমুদের সঞ্চালনায় উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে ই-ক্যাব এফ কমার্স স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান নাজনীন নাহার বলেন, কেবল ফেসবুক নয় নিজস্ব ওয়েবসাইটের বিষয়েও উদ্যোক্তাদের নজর দেয়া দরকার। একই সঙ্গে এসএমই ফাউনেডশন যেনো অন্যান্য অ্যাকসেস এর সঙ্গে অ্যাকসেস টু ফাইন্যান্স ও অ্যাকসেস টু টেকনোলজি-কে অন্তর্ভূক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসেন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বিটাক মহাপরিচালক পরিমল সিংহ এবং ফাউন্ডেশন পরিচালনা বোর্ড সদস্য মির্জা নূরুল গণী শোভন।
আলোচনায় তারা দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার এবং সরকারের সুযোগগুলো বিষয়ে সবাইকে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।







